রবিবার, ১৪ Jul ২০২৪, ০৭:১৪ অপরাহ্ন

আপডেট
*** সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698  ***              সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698 ***                     *** সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698  ***              সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698 ***
সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোলে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ১০৪তম শাখা উদ্বোধন নাটোরে সরকারী খাল খননে অনিয়ম, প্রভাবশালী নেতার শশুরের বাড়ী বাঁচাতে সরকারের ব্যয় ৮৮ লক্ষ টাকা। ‘স্যার’ না বলায় সাংবাদিককে তথ্য দিলেন না বন্দর পরিচালক রেজাউল বেনাপোলে নারী চক্রের ফাঁদে ব্ল্যাকমেইলের শিকার ব্যবসায়ীরা বেনাপোলে ঐতিহ্যবাহী বড়আঁচড়া স্কুল মাঠ ফিরে পাবার দাবিতে মানববন্ধন সোনাইমুড়ীতে গাড়ী চাপায় ভাই-বোনের মৃত্যু বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রে পিসি সার্টিফিকেটে রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে বেনাপোল বন্দরে আমদানি পণ্যর ট্রাক থেকে ফেন্সিডিল উদ্ধার সোনাইমুড়ীতে পুলিশে সদস্যের স্ত্রী প্রেমিক সহ আটক  বেনাপোলে অবৈধ করাতকলের বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে তদবির মিশনে ৬ মিল মালিক

বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রে পিসি সার্টিফিকেটে রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে

বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রে পিসি সার্টিফিকেটে রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে

সুমন হোসাইন:
বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রে আমদানি ও রপ্তানি চালান ফাইল প্রতি রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে। অভিযোগ রয়েছে আমদানি ফাইলে ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট (পিসি) নিতে উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তাদের পণ্য ও টন হিসাবে দিতে হয় টাকা। আমদানি প্রতিটি কনসাইনমেন্ট ফাইলে ৩ হাজার থেকে শুরু করে ৩০ হাজার পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয় দায়িত্বরত উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্মকর্তাকে। আর রপ্তানি পণ্যর কনসাইনমেন্ট প্রতি ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট (পিসি) নিতে দিতে ২৫০ টাকা ঘুষ। বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্গো শাখা হতে জানা যায়,পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে দৈনিক ৪শ থেকে ৫শ গাড়ি বিভিন্ন পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ২শ থেকে সাড়ে ৩শ গাড়ি পাট,গার্মেন্টস জাতীয় পণ্য ভারতে রপ্তানি হয়। আমদানিকৃত পণ্যর মধ্যে প্রতিদিন ১শ থেকে ১৫০ গাড়ি উদ্ভিদজাত খাদ্যদ্রব্য আমদানি করা হয়। আর এসব খাদ্যদ্রব্য পণ্য কাস্টমস্ থেকে খালাশ নিতে উদ্ভিদ সংগনিরোধ অফিস থেকে নিতে হয় ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট (পিসি)। আমদানি পচনশীল উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত পণ্যর কনসাইনমেন্ট প্রতি সর্বনিন্ম ৩হাজার টাকা করে ধরলেও দৈনিক ৩০ থেকে ৫০ কনসাইনমেন্টে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা আর রপ্তানি ট্রাকের ২৫ থেকে ৩০টি ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট দেওয়া বাবদ আয় ৭হাজার টাকা। সে হিসাব মতে বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রে দৈনিক গড়ে ২লক্ষ টাকার ঘুষ আদায় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সবমিলিয়ে সরকারি ছুটি বাদে মাসে অর্ধ কোটি টাকা পকেট বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছেন। আর দিন শেষে উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তারা ভাগবাটোয়ারা করে নেন। আরও জানা যায় বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ অফিসে দীর্ঘ ১ যুগের কাছাকাছি এই বন্দরে কর্মরত রয়েছেন এই দুই কর্মকর্তা। ফলে যোগসাজসে গড়ে তুলেছেন দুর্নীতির আখড়া।

বন্দরের একাধিক সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারি জানান, রপ্তানি পণ্যবাহী প্রতিটি ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট নিতে অনুতোষ কুমারকে দিতে হয় ২৫০টাকা। আমরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ওয়েব সাইডে রপ্তানির সকল কাজ অনলাইনে সাবমিট সহ সরকারি নির্ধারিত টন প্রতি ফি প্রদান করে থাকি। আর কোন কাজ বাকি থাকে না কিন্তু বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ অফিসের কর্মকর্তারা শুধু মাত্র ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট এপ্রæভ করে প্রিন্ট দিয়ে আমাদের কাছ থেকে কনসাইনমেন্ট প্রতি ২৫০ টাকা ঘুষ নিচ্ছেন।

আমদানি কারক রাশেদুজ্জামান জানান,ভারত হতে ১ কনসাইনমেন্ট ফল আমদানি করেন। নিয়ম অনুযায়ী উদ্ভিদজাত পণ্যর ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট নিতে বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ অফিসের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার সরকারের নিকট পণ্যর চালান ফাইল নিয়ে গেলে তিনি বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ৫হাজার টাকা নেন।

বন্দর সূত্র মতে,বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বানিজ্যে টিকে থাকতে WTO-SPS (Sanitary and Phytosanitary Measures) Agreement অনুযায়ী উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করা উদ্ভিদ সংগনিরোধ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ঝুঁকিমুক্ত আমদানি নিশ্চিতকরন এবং আন্তর্জাতিক বিধি-বিধান অনুসরনপূর্বক বিদেশে উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত পন্য রপ্তানি কার্যক্রম গতিশীল করতে কাজ করছে উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র।

বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ অফিসের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার সরকারকে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমদানি কনসাইনমেন্ট ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট প্রতি ৩ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন ।

এ বিষয়ে বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ অফিসের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা অনুতোষ কুমারকে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রপ্তানি কনসাইনমেন্ট ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট প্রতি ২৫০ টাকা নেওয়ার কথা বললে তিনি অফিসে আসেন কথা বলি। আমি খেতে আসছি দরকার হলে আপনার অফিসে আসছি।

এ বিষয়ে বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক সুব্রত কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, আমদানি কনসাইনমেন্ট ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট প্রতি ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। এখনতো সব অনলাইনে সাবমিট হয় অনলাইনে পেমেন্ট করে। এখনতো টাকা নেওয়ার কোন এখতিয়ার নেই। বিষষটি আমি জানলাম খোঁজ নিয়ে দেখছি।


Search News




©2020 Daily matrichaya. All rights reserved.
Design BY PopularHostBD