রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
সুমন হোসাইনঃ চোরায় মোটর সাইকেল,মানব পাচার সহ নানা ধরনের চোরাচালানী ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে নাভারনে মেসার্স এইচ এন মটরর্স এর সত্বাধীকারী মাসুদ রানার বিরুদ্ধে। দেশের বিভিন্ন সীমান্ত ব্যবহার করে চোরাইপথে পাসপোর্ট ভিসা বাদে বিষ্ণুপদ দাস (৭০) ও তার স্ত্রী সাবিত্রীকে ভারত পাঠানোর নাম করে ৩৮ হাজার টাকা নিয়ে তাদের বেনাপোল থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগির ছেলে বাচ্চু দাস।
রোববার (২৫ আগষ্ট) বাচ্চু দাস অভিযোগ করে বলেন, গত ২ মে শার্শার নাভারন বাজারের মোটরসাইকেল ব্যবসয়ি মাসুদ রানা তার পিতা মাতাকে ভারত পাঠানোর জন্য ৩৮ হাজার টাকা নেয়। তাদের পাসপোর্টে সমস্যা থাকায় চোরাইপথে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগেও মাসুদ আমাদের অনেক আত্বীয় স্বজনকে ভারত পাঠিয়েছে। এবার সে টাকা নিয়ে বিগত ৩ মাস অতিবাহিত হতে গেলেও আমাদের টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা করছে। এছাড়াও সে বিভিন্ন রকম ভয় ভীতি দেখিয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে টাকা চাইলেও সে গড়িমশি করে টাকা ফেরত দিতে অনিহা প্রকাশ করে আসছে।
নাভারন এর জনৈক এক ব্যবসায়ি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মাসুদ রানার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া পৌরসভার মির্জাপুর ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সে দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালানি ব্যবসা করে। সে নামে মাত্র ইয়ামাহার শোরুম দিয়ে মোটরসাইকেল ব্যবসার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে। সে এই শোরুম ব্যবহার করে এর অন্তরালে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে মানব পাচার করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। এছাড়া সে ভারত থেকে চোরায় মোটরসাইকেল এনে ইঞ্জীন চ্যাসিস পাংচ করে নাম্বার বসিয়ে বিক্রি করে থাকে। সে কলারোয়া সীমান্তের সিন্ডিকেট হোতাদের মধ্য অন্যতম।
এ বিষয় মাসুদ রানার সাথে কথা বললে সে জানায়,বাচ্চুর পিতা মাতাকে চোরাইপথে ভারত পাঠানোর জন্য টাকা নেওয়া হয়েছিল ৩৮ হাজার। কিন্তু সীমান্ত কড়াকড়ি থাকায় পাঠাতে পারেনি। তার টাকা এক সপ্তাহের মধ্যে পেয়ে যাবে। তবে সে নিজে টাকা গ্রহন করে নাই। বর্ডার পার করার জন্য যাকে টাকা দিয়েছিলাম সে এক সপ্তাহর মধ্যে টাকা ফেরত দিলে আমি সম্পূর্ন টাকা ফেরত দিব।