রবিবার, ১৪ Jul ২০২৪, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন

আপডেট
*** সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698  ***              সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698 ***                     *** সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698  ***              সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698 ***
সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোলে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ১০৪তম শাখা উদ্বোধন নাটোরে সরকারী খাল খননে অনিয়ম, প্রভাবশালী নেতার শশুরের বাড়ী বাঁচাতে সরকারের ব্যয় ৮৮ লক্ষ টাকা। ‘স্যার’ না বলায় সাংবাদিককে তথ্য দিলেন না বন্দর পরিচালক রেজাউল বেনাপোলে নারী চক্রের ফাঁদে ব্ল্যাকমেইলের শিকার ব্যবসায়ীরা বেনাপোলে ঐতিহ্যবাহী বড়আঁচড়া স্কুল মাঠ ফিরে পাবার দাবিতে মানববন্ধন সোনাইমুড়ীতে গাড়ী চাপায় ভাই-বোনের মৃত্যু বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রে পিসি সার্টিফিকেটে রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে বেনাপোল বন্দরে আমদানি পণ্যর ট্রাক থেকে ফেন্সিডিল উদ্ধার সোনাইমুড়ীতে পুলিশে সদস্যের স্ত্রী প্রেমিক সহ আটক  বেনাপোলে অবৈধ করাতকলের বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে তদবির মিশনে ৬ মিল মালিক

সেবা ক্লিনিকে অপচিকিৎসায় আইসিইইতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ষা

সেবা ক্লিনিকে অপচিকিৎসায় আইসিইইতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ষা

সুমন হোসাইন:

শার্শা উপজেলা নাভারণ বাজারে বহু বিতর্কিত সেবা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বর্ষা খাতুন (২০) নামে এক প্রসূতির অপচিকিৎসার শিকার হয়েছেন। বর্তমান তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। তিনি বেনাপোল বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের শহিদুল্লাহ মল্লিকের স্ত্রী।

ভুক্তভোগীর স্বামী শহিদুল্লাহ মল্লিক জানান, গত ৩০ জুলাই (রবিবার) রাতে আমার স্ত্রী বর্ষা খাতুনের প্রসব ব্যাথা উঠলে সরবাংহুদা বাজারের পল্লী চিকিৎসক রনকের পরামর্শে নাভারণ সেবা ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবা দিতে নিয়ে আসি এবং তাদের পরামর্শে সেবা ক্লিনিকে ভর্তি করি। সে সময় তাকে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন রনজু আহমেদ নামে একজন ডাক্তার।  ক্লিনিকের পারমর্শে  আমার স্ত্রীকে সিজার করেন ডাক্তার সন্দিপ পাল।

গত সোমবার ৩১ জুলাই রোগীর অবস্থার অবনতি হয়। ওই দিন রাতেই রোগীর স্বজনরা তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে সেখান থেকে জানানো হয় রোগী অপচিকিৎসার শিকার হয়েছেন। তাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে পুণরায় অপারেশন করার জন্য আইসিইউতে প্রেরণ হয়। যশোর জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের কনসালটেন্ট মনিরুজ্জামান লর্ড জানান,অপচিকিৎসার শিকার হয়েছেন ওই রোগী। তার পেটের একাধিক অর্গান ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। তার প্লীহা কিছুটা কেটে বাদ দিতে হয়েছে।

এদিকে পরে জানা যায়, নাভারণের সেবা ক্লিনিকে রঞ্জু নামে যে ব্যক্তির কাছে চিকিৎসা নিয়ে আসছিলেন বর্ষা ওই রঞ্জু আহমেদ আদতে কোনো ডাক্তারই না। তিনি নিজের নামের আগে ডাক্তার লিখে রোগী দেখছেন। ডিগ্রি ব্যবহার করছেন ডিএমএফ। অথচ সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে নামের আগে ডাক্তার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই এমবিবিএস ডিগ্রি থাকতে হবে।

শুধু তাই নয়, এ প্রতিষ্ঠানে কোনো অজ্ঞান ডাক্তার নেই। অপারেশন কক্ষে ওটি বয় রোগীকে অজ্ঞান করে থাকে। প্রতিষ্ঠানের প্যাথলজি রিপোর্টে কোনো কনসালটেন্টে বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর নেই। রিপোর্ট ছাড়ছেন এমএকেএসকে সুমন নামে ল্যাব টেকনোলজিস্ট। ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক নাসিম রেজা জানান, তার প্রতিষ্ঠানে কোনো অপচিকিৎসা হয়নি। রোগীর স্বজনরা তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ছাড়পত্র না নিয়েই সরকারি হাসপাতালে চলে গেছেন।

কথিত ডাক্তার রঞ্জু আহমেদ তার প্রতিষ্ঠানে রোগী দেখেন কি না জানতে চাইলে তিনি শারীরিক অসুস্থ বলে ফোন রেখে দেন। ডেপুটি সিভিল সার্জন নাজমুস সাদিক রাসেল জানান, তাদের অভিযান অব্যাহত আছে। ওই প্রতিষ্ঠানে আগেও একবার অভিযান পরিচালনা করে সিলড করা হয়েছিল। রোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Search News




©2020 Daily matrichaya. All rights reserved.
Design BY PopularHostBD