শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন

আপডেট
*** সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698  ***              সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698 ***                     *** সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698  ***              সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698 ***
সংবাদ শিরোনাম :
বাসার দরজার তালা ভেঙ্গে কয়েক লক্ষ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট, থানায় অভিযোগ দায়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার রিফিল করা হচ্ছে বেনাপোল বন্দরে গেটপাশ কারসাজিতে পচনশীল পণ্য শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ সোনাইমুড়ীতে যৌতুকের মামলায় স্বামী শ্রীঘরে রাত ৮টার পর শপিং মল-বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের আহ্বান বিদ্যুৎ বিভাগের দাবদাহের মধ্যে ঢাকার বায়ু আজ ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিটস্ট্রোকে নোয়াখালী এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু অবসর ভেঙে বিশ্বকাপে ফিরতে চান না নারাইন এ মৌসুমে আর মাঠে নামা হচ্ছেনা বার্সেলোনার ডি জংয়ের ইবিতে বিবস্ত্র করে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি, শাস্তির সুপারিশ

জামালপুরে নাতির কুকর্মের দায়ে ৮৫ বছর বৃদ্ধের সাথে ১১বছরের শিশুকন্যার বিয়ে

জামালপুরে নাতির কুকর্মের দায়ে ৮৫ বছর বৃদ্ধের সাথে ১১বছরের শিশুকন্যার বিয়ে

আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম :

 

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে সালিশি বৈঠকের নামে এক লম্পট নাতির কুকর্মের দায় ৮৫ বছরের বৃদ্ধ দাদার ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় মাতবররা। নাতির অনৈতিক গোপন সম্পর্কে অন্তঃসত্ত্বা ও গর্ভপাত ঘটানোর ফল ভোগ করছেন ৭ সন্তানের পিতা ৮৫ বছরের ওই বৃদ্ধ । শালিসীর নামে শাস্তি হিসেবে ১১ বছরের শিশুছাত্রীর সঙ্গে বৃদ্ধের বিয়ে দেন মাতবররা।

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল আমখাওয়া ইউনিয়নের বয়ড়াপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , স্থানীয় একটি মহিলা মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর (১১) সঙ্গে সুরমান আলীর বখাটে ছেলে শাহিনের (১৮) শারীরিক সম্পর্ক হয়। এতে ওই শিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে চালাকি করে কবিরাজি চিকিৎসায় গর্ভপাতও ঘটানো হয়।

বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় চলতি সপ্তাহে এ নিয়ে ইউপি সদস্য ও স্থানীয় মাতবররা সালিশ বৈঠক করেন। সালিশে নাতির কুকর্মের দায় চাপিয়ে দেয়া হয় বৃদ্ধ দাদার ওপর। শেষে বৃদ্ধের সঙ্গেই ওই শিশুছাত্রীর বিয়ে দেয়া হয়।

গত বুধবার দুপুরে গণমাধ্যমে ৮৫ বছরের এই বৃদ্ধ মহির উদ্দিন কথা বলার সময় লক্ষ্য করা যায় তিনি ঠিকমতো কথাও বলতে পারেন না, চোখেও ঝাপসা দেখেন। তিনি সাত সন্তানের পিতা। দুই স্ত্রী মারা গেছেন। তৃতীয় বিয়েটি করেছেন ২৭ বছর আগে। বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করা হয় চতুর্থ বিয়ে কী কারণে করলেন?

বৃদ্ধ মহির উদ্দিন বলেন, ‘আমার একটা দোষ বর্তাইয়া বিয়া করাইছে গফুর মাস্টার, কদ্দুছ মাস্টার, নাদু মেম্বারসহ কয়েকজন। আসলে আমি নির্দোষ। ’

এ সময় দাঁড়িয়ে থাকা বৃদ্ধের মেয়ে আবেদা খাতুন বলেন, ‘মেয়েটিকে বড়ি খাইয়ে গর্ভপাত করা হয়েছে। ’

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক মাদ্রাসাশিক্ষক বলেন, ‘ছেলের ঘরের নাতি দোষ করেছে, এর দায়ভার জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা ওই বৃদ্ধের ওপর চাপিয়ে শিশুটিকে বিয়ে দেয়া হয়। ’

চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সদস্য সংবাদ মাধ্যমকে জয়নাল আবেদীন নাদু বলেন, ‘মুরব্বিদের নিয়ে সালিশ করা হয়। সালিশে অনৈতিক কাজ করায় বৃদ্ধকে ১০ দোররা এবং শাহিনকে ১০টি দোররা মেরে শরীয়ত মতে বিয়ে হয়। তবে তার ছেলে ঘরের নাতি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। এ ঘটনার জন্য বৃদ্ধই দায়ী। ’

চর আমখাওয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান আকন্দ বলেন, ‘এটা আশ্চর্য ও ন্যক্কারজনক ঘটনা। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ’

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএম মইনুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আমার জানা নেই।


Search News




©2020 Daily matrichaya. All rights reserved.
Design BY PopularHostBD