বুধবার, ১৯ Jun ২০২৪, ০১:২১ পূর্বাহ্ন

আপডেট
*** সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698  ***              সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698 ***                     *** সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698  ***              সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698 ***
সংবাদ শিরোনাম :
শার্শার সাতমাইল পশু হাটে ব্যাপক অনিয়ম নিরব উপজেলা প্রশাসন! বেনাপোলে অনলাইন প্রতারক চক্রের দুই সদস্য আটক বেনাপোলে রাজস্ব কর্মকর্তার উপর হামলাকারীদের আটকের দাবিতে মানববন্ধন চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় মাদক সহ চালক গ্রেপ্তার চাকরি হারালেন ঘুষের টাকা সহ আটক কাস্টম কর্মকর্তা মুকুল বেনাপোলে প্রশাসনকে বোকা বানাতে স্বর্ণ চোরাকারবারিদের লোক দেখানো ব্যবসা বেনাপোলে কৃত্রিম যানজটের শিকার ৪ গ্রামবাসি সহ ভারতগামী পাসপোর্ট যাত্রীরা বাসার দরজার তালা ভেঙ্গে কয়েক লক্ষ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট, থানায় অভিযোগ দায়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার রিফিল করা হচ্ছে সোনাইমুড়ীতে যৌতুকের মামলায় স্বামী শ্রীঘরে

লকডাউনে মানবেতর দিন পাড় করছে ঠাকুরগাঁওয়ের নিম্ন আয়ের মানুষ

লকডাউনে মানবেতর দিন পাড় করছে ঠাকুরগাঁওয়ের নিম্ন আয়ের মানুষ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: লাগাতার লকডাউনের কারনে বিপারে পড়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষ। পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন পাড় করছেন তারা। সরকারি সহযোগিতার আশায় ৭তম দিনেও ঘরে থাকলে ্উপায় না পেয়ে পেটের দায়ে কাজের সন্ধানে এসেও কাজ মিলছে না বলে জানায় ভ‚ক্তভোগীরা।

জেলা শহরের বাসষ্ট্যান্ড, চৌরাস্তা ও কালিবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কাজের সন্ধানে আসা শ্রমজীবী নারী ও পুরুষেরা করোনা ভাইরাসকে অপেক্ষা করে জোটলা বেধে দাঁড়িয়ে আছে কাজের সন্ধানে। কিন্তু মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে মাঠে এসেও কাজ মিলছে না তাদের। ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকেও কাজ না পেয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে এই শ্রমজীবী অসহায়দের।

কাজের সন্ধানে শহরে আসা রফিকুল ইসলাম জানান পরিবার পরিজনের মুখে একমুঠো অন্ন তুলে দিতেই ভোর হতে না হতেই গ্রামগঞ্জ থেকে কাজের সন্ধানে শহরে এসেছি। কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে আছি। কেউ কাজের জন্য ডাকছে না। প্রেম চন্দ্র বলেন সরকারের দেয়া বিধিনিশেধকে সম্মান জানিয়ে ঘরে থাকতে চাইলেও থাকতে পারছি না। পরিবার পরিজন ও পেটের তারনায় লকডাউনে বেড় হতে হয়েছে। কহিনুর বেগম বলেন আমরা কার কাছে যাবো ? নেতারা বলেন মেম্বারের কথা, মেম্বার বলেন চেয়ারম্যানের কথা। আমাদের খাওয়া নাই, দাওয়া নাই আবার কাজের সন্ধানে আসে প্রশাসনের লোকজনের কাছে পিটাঝাটা খেতে হচ্ছে। অটোচালক সুমন বলেন পেটে যদি ভাত না থাকে বাসায় কতক্ষণ বসে থাকবো আমরা। শামসুল বলেন গত বছর লকডাউনের সময় সরকার, এনজিওসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আমাদের সহযোগিতা করেছে। কিন্তু এই বার লকডাউনের প্রায় ৭ দিন অতিবাহিত হয়ে গেল কেউ এখন পর্যন্ত এক মুঠো চালও দেয়নি।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন এখনও পর্যন্ত লকডাউনের কারনে বিতরণ করা হয়নি। খুব শিঘ্রই স্বাস্থ্যবিধি মেনে আর্থিক সহযোগিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ বিতরণ করা হবে।

 


Search News




©2020 Daily matrichaya. All rights reserved.
Design BY PopularHostBD