বুধবার, ১৯ Jun ২০২৪, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন

আপডেট
*** সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698  ***              সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698 ***                     *** সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698  ***              সিসি ক্যামেরা সিস্টেম নিতে যোগাযোগ করুন - 01312-556698 ***
সংবাদ শিরোনাম :
শার্শার সাতমাইল পশু হাটে ব্যাপক অনিয়ম নিরব উপজেলা প্রশাসন! বেনাপোলে অনলাইন প্রতারক চক্রের দুই সদস্য আটক বেনাপোলে রাজস্ব কর্মকর্তার উপর হামলাকারীদের আটকের দাবিতে মানববন্ধন চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় মাদক সহ চালক গ্রেপ্তার চাকরি হারালেন ঘুষের টাকা সহ আটক কাস্টম কর্মকর্তা মুকুল বেনাপোলে প্রশাসনকে বোকা বানাতে স্বর্ণ চোরাকারবারিদের লোক দেখানো ব্যবসা বেনাপোলে কৃত্রিম যানজটের শিকার ৪ গ্রামবাসি সহ ভারতগামী পাসপোর্ট যাত্রীরা বাসার দরজার তালা ভেঙ্গে কয়েক লক্ষ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট, থানায় অভিযোগ দায়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার রিফিল করা হচ্ছে সোনাইমুড়ীতে যৌতুকের মামলায় স্বামী শ্রীঘরে

আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান পদ্মাসেতু

আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান পদ্মাসেতু

পদ্মাসেতুর জাজিরা প্রান্তে  ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের উপর ১৭ তম স্প্যান বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে সেতুর ২২ ও ২৩ নম্বর খুঁটিতে ‘৪ডি’ নম্বর স্প্যানটি বসানো হয়।

এতে পদ্মাসেতুর ২৫৫০ মিটার অর্থ্যাৎ আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি দৃশ্যমান হয়েছে। ১৬ তম স্প্যান বাসানোর মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে এই স্প্যানটি বসানো হলো।

পদ্মাসেতুর সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ন কবির এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, স্প্যানটি মাঝের চরে অস্থায়ী প্ল্যাটফর্মে রাখা ছিল। সেখান থেকে  সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই-তে করে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আর ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, সেতুর ৪২টি খুঁটির মধ্যে এরইমধ্যে ৩৩টি খুঁটির নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া আলোচিত ৭ নম্বর খুঁটির কাজ চলতি মাসেই শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ৬ ও ৩০ নম্বর খুঁটির কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

আর বাকি ৮, ১০, ১১, ২৬, ২৭ ও ২৯ নম্বর খুঁটির কাজ আগামী মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৪১টি স্প্যানের মধ্যে মাওয়ায় ৩১টি স্প্যান আছে। এর মধ্যে ১৭টি স্প্যান ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে।

এদিকে সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ এবং সেতুর আর্থিক অগ্রগতি ৭৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৪ শতাংশ।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।

পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর ২০২১ সালে খুলে দেওয়া হবে।


Search News




©2020 Daily matrichaya. All rights reserved.
Design BY PopularHostBD